Transfer

বেলিজ কাজের ভিসা আবেদন ও খরচ

আজকে আমরা এই আর্টিকেলে প্রকাশ করতে চলেছি বেলিজ ভিসা সম্পর্কিত নানান কথা। যেমন কিভাবে আপনারা বেলিজ কাজের ভিসা নিতে পারবে এবং এই ভিসাটি নিতে কত টাকা খরচ হবে। তাছাড়াও কি প্রক্রিয়ায় আপনি এই বেলিজ কাজের ভিসা করতে পারবেন। এ সমস্ত নানান তথ্য আপনারা এখান থেকে পাবেন। যা থেকে খুব সহজেই বেলিজ ভিসা সম্পর্কে সকল তথ্য পেয়ে যাবেন।

বেলিজ সাধারণত একটি দেশের নাম। যে দেশটি মধ্য আমেরিকায় পূর্ব উপকূলে অবস্থিত। বর্তমান বিশ্বের নানান দেশ থেকে বেলিজ কাজের জন্য নানান রকম মানুষ সেখানে যাচ্ছে। কেননা এই শহরে কাজের মাধ্যমেই অন্য দেশে যাবার সুযোগ দেয়া হয়। সে কারণে এই সুযোগ টা কাজে লাগানোর জন্যই মানুষ বেলিজ শহরে কাজের জন্য গিয়ে থাকে।

বর্তমানে ক্যারিবীয় নানান দেশ এবং আমেরিকার সাথে অনেক ভালো সম্পর্ক রয়েছে। যার কারণে সেখানেও কাজের জন্য বেলিজ ভিসা নিয়ে এত মানুষ যাচ্ছে।

বিলিজ কেন যাবেন?

বর্তমানে বেলিজ শহরে কাজের চাহিদাটা বেড়েছে যার কারণে সেখানে শ্রমিকের সংখ্যা প্রায় কম তাই বিশ্বের বিভিন্ন দেশ থেকে বিরিজ কাজের জন্য তারা লোক নিয়োগ দিয়ে থাকে। আর এই সমস্ত কাজের জন্য বিশ্বের নানান দেশ থেকে মানুষ ভিসা সংগ্রহ করে বেলিস কাজের জন্য যাচ্ছে।এমনকি বেলিজ কাজের মাধ্যমে অন্যান্য দেশেও যাবার সুযোগ রয়েছে তাই মানুষ এই সকল সুযোগগুলো কাজে লাগাতে বেলিজ কাজের জন্য গিয়ে থাকে।

বেলিজ কাজের ভিসা

বর্তমানে বেলিজ বিশ্বের নানান দেশের সাথে বিজনেস পরিচালনা করে আসছে। যার কারণে বিজনেসের খাতটা অনেকটাই গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। মেক্সিকো,মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, ইউরোপীয় ইউনিয়নভুক্ত আরো নানান দেশের সাথে বেলির ব্যবসা পরিচালনা করে আসছে। তাই বেলিজ শহরে কাজের কোনরকম ত্রুটি নেই এই কাজের জন্যই সেখানে মানুষ কাজের জন্য বেলিজ কাজের ভিসা নিচ্ছে। কৃষি এবং গার্মেন্টস এর প্রতি এই সংস্থাগুলো নানান রকম ব্যবসা করে আসছে । তাই তাদের অনেক শ্রমিকের প্রয়োজন হয়ে থাকে।

বেলিজ কাজের বেতন কত?

বেলিজ কাজের জন্য একজন শ্রমিক সর্বনিম্ন ১৫০০ ডলার থেকে ২০০০ডলার পর্যন্ত বেতন তুলতে পারবে। বেলিজ কাজে অফিশিয়াল ভাবে একটি শ্রমিককে আট ঘন্টা কাজ করতে হবে। এবং সেই শ্রমিক ওভারটাইম কাজ করার সুযোগ পাবে। সে ক্ষেত্রে তার বেতন আলাদা ভাবে নির্ধারণ হবে। এছাড়াও কোন কোম্পানির সাথে অনেক রকম চুক্তি হয়ে থাকে। যেমন থাকা, খাওয়ার ব্যবস্থা এবং দুই বছরের মধ্যে দেশে যাতায়াতের সকল খরচ কোম্পানি বহন করবে। এরকম চুক্তিও হয়ে থাকে। 

তাই আপনি যদি বেলিজ কাজের জন্য যেতে চান। তাহলে কোম্পানির সাথে এই সমস্ত বিষয়গুলো ভালোভাবে আলোচনা করে নিন। ভালোভাবে জেনে নিন এই সকল সুবিধাগুলো সেখান থেকে পাবেন কিনা। এবং বেতন সম্পর্কিত সকল কথা তাদের মাধ্যমে জেনে নেবেন। কত টাকা বেতনে আপনি যাচ্ছেন। বা কত টাকা বেতন আপনি যাবার ফলে সেখানে দেবে। এই সকল কথাগুলো ভালোভাবে বুঝে শুনে বেলিজ কাজের সিদ্ধান্ত নেয়া দরকার।

ভিসার জন্য আবেদন

আপনি যদি এখন বেলিজ কাজের ভিসার জন্য আবেদন করতে চান। তাহলে এটা বাংলাদেশ থেকে সম্ভব নয়। যদি আপনি ভিসার জন্য আবেদন করতে চান তাহলে বোয়েসেল অথবা বিএমইটির মাধ্যমে যোগাযোগ করে কিছু ধারণা নিতে পারেন। তাদের মাধ্যমে জেনে নিতে পারেন আপনি কি প্রসেস ব্যবহার করে ভিসা করতে পারবেন। এবং চাইলে আপনি অন্য দেশের মাধ্যমে যেতে পারেন। তার জন্য আপনাকে কিছু রিকয়েরমেন্ট প্রয়োজন হবে। যার মাধ্যমে আপনি এই কাজটি সম্পন্ন করতে পারবেন।

বেলিজ ভিসার জন্য প্রয়োজনীয় কাগজপত্র:

প্লিজ হিসাব করতে আপনাকে কিছু গুরুত্বপূর্ণ কাগজ পত্র প্রয়োজন হবে যেগুলো ছাড়া বেলিজ ভিসা সম্পন্ন করা যাবে না। সে কাগজগুলো হলো।

ছয় মাসের পাসপোর্ট, এনআইডি কার্ডের ফটোকপি, কাজের পূর্ব অভিজ্ঞতা এর প্রমাণ, ছয় মাসের ব্যাংক স্টেটমেন্ট এর ফটোকপি, ইংলিশ কোর্স এর একটি ফটোকপি, এক কপি পাসপোর্ট সাইজের ছবি। এই গুরুত্বপূর্ণ কাগজপত্র গুলো ছাড়া আপনি আবেদন করতে পারবেন না।

আপনি যদি বেলিজ ভিসার জন্য আবেদন করতে চান তাহলে এই কাগজগুলো সম্পূর্ণ প্রস্তুত করে রাখতে হবে।

Tags

Related Articles

Back to top button
Close