Earn Money

ব্যবসা করার নিয়ম – নতুন করে ব্যবসা করার কৌশল

বর্তমান সময়ের বেশিরভাগ মানুষই চায় কোনরকম ব্যবসা করে নিজের পায়ে দাঁড়াতে। সেই লক্ষ্যে অনেকেই পৌঁছয় এবং অনেকেই অনেক রকম কারণে বাধা হয়ে থাকে। বা অনেকে আছে যাদের ব্যবসা করার ইচ্ছা থাকলেও বিভিন্ন কারণবশত তারা ব্যবসাটি পরিচালনা করতে পারে না। ব্যবসা পরিচালনা করার বা ব্যবসা শুরু করার ক্ষেত্রে বেশ কিছু নিয়মকানুন রয়েছে। যেগুলো একজন নতুন ব্যবসায়ীর জন্য খুবই বড় ভূমিকা পালন করে।

ব্যবসা শুরু করার ক্ষেত্রে যে নিয়ম কানুন গুলো রয়েছে। সেগুলো না জানার কারণে অনেকেই বিভিন্ন ব্যবসায় সঠিকভাবে দাঁড় করাতে পারছে না। তাই কোন ব্যবসা শুরু করার ক্ষেত্রে যে সমস্ত নিয়ম কানুন গুলো রয়েছে। সেগুলো অক্ষরে অক্ষরে পালন করা প্রতিটি ব্যবসায়ীদের জন্যই দায়িত্ব। এতে করে তাদের ব্যবসার সঠিক কার্যক্রম নিয়ন্ত্রণ থাকবে। এবং ব্যবসায় খুব সহজেই পরিচিতি লাভ করা যাবে। যা একজন ব্যবসায়ীর জন্য খুবই প্রয়োজন।

তবে অনেকেই জানে না ব্যবসা শুরু করার ক্ষেত্রে যে সমস্ত কার্যক্রম গুলো রয়েছে‌ সেগুলোর সম্পর্কে। যার কারণেই তাদের ব্যবসায় বিভিন্ন ত্রুটি লক্ষ্য করা যায়। তাই আপনারা যারা একটি নতুন ব্যবসা শুরু করার কথা ভাবছেন। তাদেরকেও বেশ কিছু নিয়ম সম্পর্কে জানতে হবে।যে নিয়ম গুলো একটি ব্যবসায় প্রয়োগ করা খুবই গুরুত্বপূর্ণ।

তাই আপনি যদি কোন ব্যবসা শুরু করার কথা ভেবে থাকেন। সেই ক্ষেত্রে আপনাকেও জানতে হবে বেশ কিছু নিয়ম। তবে আপনার মনে হতে পারে ব্যবসা শুরুর ক্ষেত্রে কেমন নিয়ম থাকতে পারে। বা সেই সমস্ত নিয়ম গুলো কোথা থেকে পাবেন। ব্যবসা শুরুর ক্ষেত্রে যে সমস্ত নিয়ম রয়েছে। সেগুলো জানতে আপনাকে তেমন কোন পদ্ধতি অবলম্বন করতে হবে না। শুধুমাত্র আমাদেরকে আর্টিকেলটি সম্পন্ন পড়ে জেনে নিতে পারেন। ব্যবসা শুরুর ক্ষেত্রে বেশ কিছু নিয়ম সম্পর্কে।

তাই আপনি যদি আপনার ব্যবসাটি সম্পন্নভাবে দাঁড় করাতে চান। বা সঠিক নিয়মে পরিচালনা করতে চান। তাহলে আমাদের এই আর্টিকেলটি মনোযোগ সহকারে পড়ুন। এবং জেনে নিন যে কোন ব্যবসা শুরু করার নিয়মগুলো।

প্রাথমিক পর্যায়ের কার্যক্রম:

যে কোন ব্যবসা শুরু করার আগে যে সমস্ত বিষয়বস্তুগুলো রয়েছে। সেগুলো নিয়ে নিচে আলোচনা করা হলো।

সিদ্ধান্ত গ্রহণ: আপনি যখন একটি ব্যবসা শুরু করার কথা ভাববেন। তখন আপনাকে এমন একটি ব্যবসার আইডিয়া বের করতে হবে। যার মাধ্যমে আপনি খুব সহজেই ব্যবসাটি সঠিক পজিশনে দাঁড় করাতে পারবে।

আপনাকে ভাবতে হবে কোন ব্যবসাটি আপনি করবেন। এবং কোন পণ্য নিয়ে আপনি ব্যবসাটি করবেন। ব্যবসা বিভিন্ন রকম হয়ে থাকে যেমন,, ট্রেডিং, শিল্প ,উৎপাদনমূলক এমনকি কমিশন ভিত্তিক। এরমধ্যে আপনি কোন ব্যবসাটি করবেন তা নিয়ে চিন্তা করুন।

মূলধন জোগাড়: যে ব্যবসাটি করার পরিকল্পনা করেছেন সেই ব্যবসাটি করতে যে পরিমাণ অর্থের প্রয়োজন হবে তা আগে থেকেই সংগ্রহ করে রাখুন। কেননা ব্যবসার কার্যক্রমের ক্ষেত্রে মাঝেমাঝে অবস্থায় অর্থ সংকট দেখা দিলে ব্যবসাটি সঠিকভাবে এগোতে পারবেন না যার কারণে আগে থেকেই ব্যবসার মূলধন জোগাড় করে রাখাটা গুরুত্বপূর্ণ।

ব্যবসায় মালিকানা নিশ্চিত: ব্যবসা বিভিন্নভাবে করা যায়। একটি ব্যবসা আপনি নিজেও করতে পারেন অথবা ডিলারশিপ নিয়ে যৌথভাবেও করতে পারেন। তাই ব্যবসার পূর্বে আপনাকে সঠিক সিদ্ধান্ত নিতে হবে। যদি আপনার একার দ্বারা ব্যবসাটি পরিচালনা করা সম্ভব হয় সে ক্ষেত্রে আপনার কোন রকম ডিলারশিপ নেয়ার প্রয়োজন নেই এবং উপযুক্ত একটি স্থান নির্বাচন করুন যেখানে আপনার ব্যবসাটি করে স্বচ্ছন্দ্যবোধ হবে।

ব্যবসায়ী নাম নির্বাচন: আপনি যে ব্যবসাটি করার চিন্তাভাবনা করেছেন সেই ব্যবসার একটি নামকরণ করা খুবই জরুরী। কেননা একটি নামেই আপনার ব্যবসাকে সুন্দর করে সাজিয়ে তুলবে। তাই একটি সুন্দর নাম নির্বাচন করা প্রতিটি ব্যবসার ক্ষেত্রেই গুরুত্বপূর্ণ।

আপনি যেই পণ্যের উপর ব্যবসাটি করছেন সেই পন্যের সাথে মিল রেখেই নাম নির্ধারণ করা জরুরী। এবং যে নামটি নির্বাচন করবেন। সে নামটি অবশ্যই আকারে ছোট হতে হবে। যাতে করে কাস্টমার কিংবা অন্যান্য মানুষজন আপনার ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের নাম খুব সহজেই মনে রাখতে পারে। এছাড়াও আরো বেশ কিছু বিষয়বস্তু মাথায় রেখে ব্যবসা পরিচালনা করা খুবই গুরুত্বপূর্ণ।

Related Articles

Back to top button
Close